একজন মায়ের চোখের জল, বুকভরা কষ্ট আর অসহায়ত্বের গল্প ভাষায় প্রকাশ করা যায় না
একজন মায়ের বুকভরা কষ্ট, চোখের নীরব জল আর অসহায় হয়ে তাকিয়ে থাকার দৃশ্য কতটা বেদনাদায়ক, তা হয়তো ভাষায় কখনোই পুরোপুরি প্রকাশ করা সম্ভব নয়। একজন মা তাঁর সন্তানকে ঘিরেই হাজারো স্বপ্ন দেখেন। নিজের সুখ-শান্তি বিসর্জন দিয়ে সন্তানকে বড় করেন, সন্তানের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে সংগ্রাম করেন। অথচ সেই মায়ের জীবনেই যখন নেমে আসে দুঃখের কালো ছায়া, তখন তাঁর মনের ভেতরে জমে থাকা যন্ত্রণার খবর অনেক সময় কেউ জানতেও পারে না।
একজন মা হয়তো নিজের কষ্টের কথা কাউকে বলেন না। পরিবারের অন্য সদস্যদের সামনে হাসিমুখে থাকার চেষ্টা করেন, কিন্তু নির্জনে চোখের পানি ধরে রাখতে পারেন না। বুকের ভেতরে হাজারো কথা জমে থাকলেও সব কথা মুখে বলা যায় না। কখনো পরিস্থিতির কাছে অসহায় হয়ে পড়েন, কখনো প্রিয়জনদের ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তায় রাতের পর রাত নির্ঘুম কাটান।
মায়ের ভালোবাসা পৃথিবীর সবচেয়ে নিঃস্বার্থ ভালোবাসাগুলোর একটি। সন্তান ছোট থাকলে মা তাকে আগলে রাখেন, আর সন্তান বড় হলেও তাঁর চিন্তা ও মমতা একটুও কমে না। সন্তান ভালো আছে কি না, ঠিকমতো খেয়েছে কি না, কোনো বিপদে পড়েছে কি না—এসব ভাবনা মায়ের হৃদয়ে সব সময় জায়গা করে থাকে।
কিন্তু সব মায়ের জীবনে সুখের গল্প লেখা থাকে না। কারও জীবনে আসে অভাব, কারও জীবনে আসে প্রিয়জন হারানোর বেদনা, আবার কেউ নীরবে সহ্য করেন অবহেলা ও একাকিত্ব। বাইরে থেকে তাঁদের জীবন স্বাভাবিক মনে হলেও ভেতরে ভেতরে তাঁরা প্রতিদিন এক কঠিন লড়াই চালিয়ে যান।
একজন মায়ের চোখের পানি শুধু দুঃখের প্রকাশ নয়; কখনো তা জমে থাকা অভিমান, অপূর্ণ স্বপ্ন এবং অসহায়ত্বের প্রতিচ্ছবি। সেই চোখের পানির পেছনে লুকিয়ে থাকতে পারে এমন অনেক কথা, যা কাউকে বোঝানো যায় না।
তাই আমাদের প্রত্যেকের উচিত মা-বাবার প্রতি যত্নশীল হওয়া, তাঁদের কথা মন দিয়ে শোনা এবং তাঁদের কষ্টকে গুরুত্ব দেওয়া। কারণ জীব
