এই লোকের একটা ইন্টারভিউ দেখলাম

এই লোকের একটা ইন্টারভিউ দেখলাম৷ তিনি উমরাহ করতে গিয়ে অবৈধভাবে সৌদি আরব থাকছে এবং পাঁচ বছর সেখানে থেকে কাজও করছে। অবৈধভাবে সৌদি থাকার কারণে সৌদি সরকার তাঁকে দেশে ফেরত পাঠায়৷
এই লোকটা এখন আবার চলতি সপ্তাহে শ্রীলঙ্কা যাওয়ার জন্য বাংলাদেশের ইমিগ্রেশনে দাঁড়ালে তাঁকে আটকে দেওয়া হয়। এরপর তিনি ভীষণ ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাঁর অভিযোগ, বাংলাদেশের ইমিগ্রেশন ব্যবস্থা ভালো না। তিনি নাকি শুধুই ঘুরতে যেতে চেয়েছিলেন। অথচ শ্রীলঙ্কা যাওয়ার পেছনে তাঁর খরচ হয়েছে চার লাখ টাকারও বেশি!
কিন্তু যারা নিয়মিত ভ্রমণ করেন, তাঁরা জানেন, একজন মানুষের শ্রীলঙ্কা ঘুরতে যাওয়ার জন্য চার লাখ টাকার প্রয়োজন হয় না।
তাই স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগে, তাঁর উদ্দেশ্য কি আসলেই শুধু শ্রীলঙ্কা ভ্রমণ ছিল? নাকি এবারও শ্রীলঙ্কায় ঢুকে সেখান থেকে অন্য কোনো দেশে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল?
এ ধরনের মানুষের কারণেই আমাদের ভুগতে হয়। একজনের অনিয়মের দায় এসে পড়ে দেশের সাধারণ মানুষের ওপর। বিদেশে বাংলাদেশের পাসপোর্টধারীদের সন্দেহের চোখে দেখা হয়। আর ইমিগ্রেশনে গিয়ে অযথা নানা প্রশ্ন ও হয়রানির মুখে পড়তে হয় আমাদের মতো প্রকৃত পর্যটকদের।
একজনের ব্যক্তিগত স্বার্থ আর অনিয়মের কারণে দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়, ভোগান্তিতে পড়তে হয় হাজারো মানুষকে।
আমরা আসলে ভালো হবো কবে? নিজের স্বার্থের বাইরে গিয়ে দেশের সম্মানের কথাটাও ভাবতে শিখব কবে? 💔
এসব লোকদের কি সাজা হওয়া উচিত?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *