যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে প্রথম মুসলিম! বদলে যাচ্ছে আমেরিকার রাজনৈতিক ইতিহাস

২০২৬ সালের যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে মুসলিম প্রার্থীরা ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জন করেছেন। কংগ্রেসে অন্তত সাতজন মুসলিম নির্বাচিত হয়েছেন, যা রেকর্ড।
এর মধ্যে সবচেয়ে বড় অর্জন হলো মিশিগান থেকে ডেমোক্র্যাট আব্দুল এল-সায়েদের জয়। তিনি রিপাবলিকান মাইক রজার্সকে পরাজিত করে যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে প্রথম মুসলিম হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।
মিশরীয় অভিবাসী পরিবারের সন্তান এই ৪২ বছর বয়সী চিকিৎসক ও সাবেক জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তা প্রায় ৫২.৪ থেকে ৫২.৫ শতাংশ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তাঁর প্রচারণায় স্বাস্থ্যসেবা, জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো এবং ইসরায়েলকে সামরিক সহায়তা বন্ধের দাবি গুরুত্ব পেয়েছিল।

প্রচারণায় তাঁর ধর্ম নিয়ে আক্রমণের মুখেও তিনি জয়লাভ করেন।হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসেও মুসলিম প্রার্থীরা ভালো ফল করেছেন। মিনেসোটার ইলহান ওমার, মিশিগানের রশিদা তালাইব, ইন্ডিয়ানার আন্দ্রে কার্সন এবং ক্যালিফোর্নিয়ার লাতিফাহ সাইমন তাঁদের আসন ধরে রেখেছেন। নতুনদের মধ্যে নিউ জার্সির অ্যাডাম হামাউই এবং নিউ ইয়র্কের দারিয়ালিজা আভিলা শেভালিয়ের জয়ী হয়েছেন। হামাউই নিউ জার্সি থেকে প্রথম মুসলিম কংগ্রেস সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। ক্যালিফোর্নিয়ার আয়শা ওয়াহাবও পূর্ণ মেয়াদের আসন পেয়েছেন বলে প্রতিবেদন এসেছে।সিনেট ও হাউস মিলিয়ে অন্তত সাত থেকে আটজন মুসলিম কংগ্রেসে প্রবেশ করেছেন। এর বাইরে রাজ্য আইনসভা ও স্থানীয় পর্যায়ে আরও অনেক মুসলিম প্রার্থী জয়ী হয়েছেন বা এগিয়ে আছেন। মোট অন্তত ৩৬ জন মুসলিম প্রার্থী বিভিন্ন স্তরের নির্বাচনে জয় বা এগিয়ে থাকা অবস্থায় রয়েছেন। এই ফলাফল মুসলিম আমেরিকানদের রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *