ঈদে আনন্দ নাই তাই আমরা পুজাতে নাচি৷ যারা বেশি ধার্মিক তারাই বলে পুজোয় যাওয়া গুনাহ৷ পুজায় এসেছি জানি গুনাহ হয়েছে, এখন আল্লাহ মাফ করলে করবেন! না করলে নাই৷
এগুলো এইবার হিন্দুদের পুজোয় আসা কিছু মুসলিম মেয়েদের কথা৷
বাজারে আবার নতুন লজিক আসছে৷ ঈদের সময় আনন্দ করা যায় না৷ মসজিদে মেয়েরা নামাজ পড়তে পারে না৷ তাই তারা হিন্দুদের পুজায় যায়৷
ঈদের আনন্দ মূলত সিয়াম সাধনার পর আধ্যাত্মিক ও সামাজিক মিলনমেলার আনন্দ। এতে নাচ-গান বা অন্য ধর্মের উপাসনার মতো উপাদান থাকে না। কেউ যদি ব্যক্তিগতভাবে ঈদে আনন্দ না পায়, তবে সেটি তার নিজস্ব মনস্তাত্ত্বিক বা পারিবারিক বিষয় হতে পারে, কিন্তু এর জন্য ইসলাম বা ঈদকে দায়ী করা যায় না।
মদিনার রাস্তায় একদিন একটা মৃত মানুষের খাটিয়া যাচ্ছে। প্রিয় নবী সা: বসা ছিলেন, হঠাৎ উঠে দাঁড়ালেন। সাহাবিরা চমকে বললেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ, এ তো ইহুদির জানাজা! তিনি তাকালেন। বললেন, সে কি একটা প্রাণ নয়?
নাজরান থেকে খ্রিস্টানরা এলো। নবী সা: তাদের বসালেন মসজিদে নববীতে। প্রার্থনার সময় বললেন, করো এখানেই করো। ইহুদিদের সাথে সনদ লিখলেন, “তোমাদের দ্বীন তোমাদের, তবে তোমাদের জান মাল আমার জিম্মায়। আর একটা কথা রেখে গেলেন, যেটা শুনলে বুক কেঁপে ওঠে: যে কোনো চুক্তিবদ্ধ অমুসলিমের ওপর জুলুম করবে, কিয়ামতের দিন আমি নিজে তার বিরুদ্ধে দাঁড়াব”
মক্কার কুরাইশরা একদিন একটা প্রস্তাব নিয়ে এলো। খুব নরম সুরে বলল, এত ঝগড়া কেন? এক বছর তুমি আমাদের দেবতার পূজা করো, এক বছর আমরা তোমার আল্লাহর ইবাদত করব। মিলেমিশে থাকি।
চিনতে পারছেন প্রস্তাবটা? এটাই আজকের “সম্প্রীতি”।
জবাব নবীজি দিলেন না। জবাব এলো আসমান থেকে। একটা পুরো সুরা নাজিল হলো, আর তার শেষ লাইন “লাকুম দীনুকুম ওয়া লিয়া দীন। তোমাদের দ্বীন তোমাদের, আমার দ্বীন আমার”
একই মানুষ। প্রতিবেশীর জন্য জান দিয়ে দিতে রাজি। কিন্তু তার পূজায় এক পা ফেলতে রাজি নন।
আজকের দিনে তাদের অনুসারীরা উঠে পড়ে লাগছে পুরনো কুরাইশদের প্রস্তাব নতুন করে সাজাতে৷
আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেফাজত করুক
